বর্তমানে যেসকল ট্রেন চলাচল করছেঃ
তিস্তা এক্সপ্রেস (ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা)
কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (ঢাকা-কিশোরগঞ্জ-ঢাকা)
ব্রহ্মপুর এক্সপ্রেস (ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা)
বনলতা এক্সপ্রেস (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
চিত্রা এক্সপ্রেস (খুলনা-ঢাকা-খুলনা)
বেনাপোল এক্সপ্রেস (বেনাপোল-ঢাকা-বেনাপোল)
নীলসাগর এক্সপ্রেস (চিলাহাটি-ঢাকা-চিলাহাটি)
পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ( পঞ্চগড়-ঢাকা-পঞ্চগড়)
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (কুড়িগ্রাম-ঢাকা-কুড়িগ্রাম)
লালমনি এক্সপ্রেস (লালমনিরহাট-ঢাকা-লালমনিরহাট)
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ( খুলনা-রাজশাহী-খুলনা)
রূপসা এক্সপ্রেস (আপ/ডাউন)
মধুমতি এক্সপ্রেস রাজশাহী-গোয়ালন্দবাজার-রাজশাহী)
সূবর্ণ এক্সপ্রেস (চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম)
মেঘনা এক্সপ্রেস (চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম)
কালনী এক্সপ্রেস (সিলেট-ঢাকা-সিলেট)
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস (শুধুমাত্র সিলেট-চট্টগ্রাম)
উদয়ন এক্সপ্রস (শুধুমাত্র চট্টগ্রাম-সিলেট)
বিঃদ্রঃ বর্তমান বন্যা পরিস্থিতির কারনে আন্তঃনগর তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ইসলামপুর বাজার পর্যন্ত চলাচল করছে।
নির্দেশনা
১) বিমানবন্দর, নরসিংদী ও জয়দেবপুর স্টেশনে কোন ট্রেন থামবে না৷
২) মাসিক টিকিট ও প্লাটফর্ম টিকিট বিক্রি বন্ধ থাকবে।
৩) ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হবে।
৪) সকল টিকিট অনলাইন বিক্রি হবে।
৫) ট্রেন ছাড়ার ১ঘন্টা পূর্বে যাত্রীকে স্টেশনে উপস্থিত থাকতে হবে।
৬) ট্রেনে খাবার বিক্রি হবে না।
৭) রেল কতৃপক্ষ কেবিনে যাত্রীদের বালিশ, চাদর, ও কাঁথা সরবরাহ করবে না।
৮) ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধি করা হবে না।
৯) নিদিষ্ট দরজা ব্যাবহার করে ট্রেনে উঠতে ও নামতে হবে। অর্থাৎ ইন ও এক্সিট ডোর আলাদা।
১০) টিকিট ছাড়া কোনো যাত্রী স্টেশনে প্রবেশ করতে পারবেন না৷

No comments