কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত তিনটি দিক থেকে ব্যাখা করছি।
কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত তিনটি দিক থেকে ব্যাখা করছি।
১ম দিক:
গতকাল টিভি চ্যানেলে দেখানো হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের কয়েকটা সংগঠন কোটার সংস্কার চাইনা মর্মে স্বারকলিপি দিয়েছিলেন জেলা প্রশাসকের কাছে। এখন যদি বাতিল করে দেওয়া হয় তাহলে কি তারা মাঠে নামবেনা? যদি তারা এবং তাঁদের সন্তানরা মাঠে নামে তাহলে মিডিয়া কাভারেজ পাবে শতভাগ। তারা আন্দোলন করবে গুটিকয়েক মানুষ। চ্যানেলগুলি প্রচার করবে লক্ষ লক্ষ মানুষ। তারপর সরকার বলবে কোটা বহাল থাকবে কারণ মুক্তিযোদ্ধারা মাঠে নেমেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামলে আমরা হয়ে যাব রাজাকার।
২য় দিক:
ধরে নিন মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের সন্তান মাঠে নামলেননা কিন্তু তাঁরা হাইকোর্টে একটা রিট করলো, রিট করে আপাতত একটা stay order নিয়ে নিল। তারপর হাইকোর্টে মামলা চলতে থাকল মুক্তিযোদ্ধা বনাম সাধারণ ছাত্র। এই মামলা আর শেষ হবেনা। সরকার বলবে আমরাতো কোটা বাতিল করেছি, আদালত stay order দিলে আমরা কি করবো??
৩য় দিক:
ধরে নিন মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁদের সন্তানরা মাঠে নামেননি, হাইকোর্টে যাননি, সরকারও কোটা বাতিল করেছে তারপর নতুন নিয়ম পাশ হলো: আইনটি হতে পারে-
একজন বিজ্ঞ আইনজীবি একটা উদাহরণ দিয়েছেন। ধরুণ ৫০০ জন নিয়োগ করা হবে। সরকার ২৫০ জন করে দুভাগ করবে। ২৫০ জন শতভাগ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।
আর বাকি ২৫০ জন বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে। আর এই বিশেষ পরীক্ষা মানে কোটা।(ভুলে গেলে চলবেনা বিশেষ ব্যবস্থার কথা প্রধান মন্ত্রি উল্লেখ করেছেন তার ভাষণে)। তাহলে শতভাগ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে আবার কোটাও থেকে যাবে। তাহলে ফলাফল কি হবে?? যে লাউ সেই কদু!!
একটু ভেবে দেখুন

No comments